বুধবার ২১ অক্টোবর ২০২০ ৫ কার্তিক ১৪২৭
শিরোনাম: স্ত্রীকে হত্যার পর ছেলেকে কুপিয়ে জখম       ১১ মাস পর শ্রমিক লীগের পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা       তালিকা থেকে বাদ যেতে পারে ৫-৭ ভাগ মুক্তিযোদ্ধা : মন্ত্রী       ২৮ বছর পরও সেই গোল দোলা দেয় কুমানকে       মেসির প্রচেষ্টা নিয়ে সংশয় নেই কুমানের       বাল্যবিয়ে প্রতিরোধে ব্যাপকভাবে সচেতনতা বৃদ্ধি করতে হবে: স্পিকার       শ্যুটিংয়ে আঘাত পেলেন আমির খান      
জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণে পথ দেখাক বাংলাদেশ
ড. মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম
প্রকাশ: শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর, ২০২০, ৮:৫৬ পিএম আপডেট: ১৬.১০.২০২০ ৯:০৪ পিএম |

পরিবেশ সংরক্ষণে উদ্ভিদ ও প্রাণীর বৈচিত্র্যময়তার সঙ্গে ইকোসিস্টেম সার্ভিসের সংযোগ রয়েছে। ইকোসিস্টেম সার্ভিসের মাধ্যমে খাদ্য, পানি ও পুষ্টি উপাদানগুলোর সরবরাহে উদ্ভিদ ও প্রাণীর মধ্যে বৈচিত্র্যময়তা দেখা যায়। ইকোসিস্টেম পদ্ধতি উদ্ভিদ ও প্রাণীর বৈচিত্র্যময়তা দৃশ্যমানে সহায়তা করে।দুঃখজনক হলেও সত্য, বর্তমানে জলবায়ু পরিবর্তন ও পোকামাকড়ের প্রাদুর্ভাব, মাটি, পানি ও বায়ুদূষণ, বনায়ন ধ্বংস, অপরিকল্পিত নগরায়ণ ও শিল্পায়ন, বন্যা, খরা ও লবণাক্ততার প্রাদুর্ভাবে জৈববৈচিত্র্য হুমকির সম্মুখীন।
পৃথিবীর সবচেয়ে বড় ম্যানগ্রোভ বনাঞ্চল সুন্দরবনে বৈচিত্র্যময় উদ্ভিদ ও প্রাণী দৃশ্যমান থাকায় পরিবেশ সংরক্ষণের গুরুত্ব আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত। উদ্ভিদ ও প্রাণীর বৈচিত্র্যতায় ইউনেস্কো সুন্দরবনকে ১৯৯৯ সালে বিশ্ব ঐতিহ্য হিসেবে ঘোষণা করেছে।
সুন্দরবনে বিভিন্ন ধরনের উদ্ভিদ ও প্রাণীর প্রজাতি দৃশ্যমান। গবেষণায় দেখা যায়, ইউনেস্কো কর্তৃক স্বীকৃত ওই বিশ্ব ঐতিহ্যে যথাক্রমে ১১৩, ৬২৮, ১২৬, ২২, ৭০৮, ২৪৯৩, ১৯ ও ১৬৪টি প্রজাতির ম্যামাল্স, পাখি, রেপটাইল্স, অ্যাম্ফিবিয়ান, মৎস্য, কীটপতঙ্গ, মাইটস ও শৈবাল রয়েছে।
এ ম্যানগ্রোভ বনাঞ্চলে প্রায় ৩৩৪টির বেশি উদ্ভিদ প্রজাতি রয়েছে। সুন্দরবনে বাসকৃত রয়েল বেঙ্গল টাইগার, ডলফিন, ইন্ডিয়ান পাইথন ও কুমির অনেকটা ঝুঁকিতে রয়েছে। গবেষণায় দেখা যায়, জলবায়ু পরিবর্তনে সুন্দরবনে রেকর্ডকৃত উদ্ভিদ ও প্রাণীগুলোর ঝুঁকি বেড়ে যাচ্ছে।
যদি বাঘের কথা উল্লেখ করা হয়, তাহলে দেখা যাচ্ছে, কাসপিয়ান, জাভান ও বালি প্রজাতির বাঘগুলো সুন্দরবনে আর দেখা যাচ্ছে না। উদ্ভিদ প্রজাতির মধ্যে সুন্দরী ও গেওয়ার প্রজাতিগুলোও কমতে শুরু করেছে।
যা হোক, পানি দূষণ, লবণাক্ততা, অপরিকল্পিতভাবে গাছপালা নিধন ও প্রাকৃতিক দুর্যোগে সুন্দরবনের জৈববৈচিত্র্য উল্লেখযোগ্য হারে হ্রাস পাচ্ছে। অথচ সুন্দরবনের জীববৈচিত্র্য কার্বন শোষণ ও ঘূর্ণিঝড়ের গতিপ্রবাহ কমিয়ে পরিবেশ সংরক্ষণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।
সামগ্রিকভাবে জীববৈচিত্র্য গবেষণায় দেখা যাচ্ছে, বাংলাদেশে ১২টি বন্য প্রজাতি বিলুপ্ত। অন্যদিকে বেশি ঝুঁকিতে রয়েছে ৪০ ম্যামালস, ৪১ পাখি, ৫৮ রেপটাইলস ও ৪ প্রজাতির অ্যাস্ফিবিয়ান। এ অবস্থায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণের মাধ্যমে সোনার বাংলা গড়ার আহ্বান জানিয়েছেন।
জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সোনার বাংলা গড়ার স্বপ্ন অনুযায়ী প্রধানমন্ত্রী গ্রামবাংলায় জীববৈচিত্র্য ঠিক রেখেই উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রেখেছেন। সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রী জাতিসংঘ আয়োজিত ‘বায়োডাইভারসিটি সামিটে’ টেকসই উন্নয়নে জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণের ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন।
তিনি বলেছেন, ১৯৭০ থেকে ২০১৬ সালের মধ্যে প্রায় ৬৮ শতাংশ বন্যপ্রাণী ধ্বংস হয়ে গেছে। বাংলাদেশের মানুষ জলজ জীববৈচিত্র্যের ওপর অনেকাংশে নির্ভরশীল।
১৯৭০ সাল থেকে বছরে প্রায় ৪ শতাংশ হারে ম্যামালস, পাখি, অ্যাম্ফিবিয়ান, রেপটাইলস ও মৎস্য প্রজাতি ঝুঁকির দিকে ধাবিত হচ্ছে। তিনি জীববৈচিত্র্য হ্রাসে জলবায়ু পরিবর্তনের ভূমিকার কথা উল্লেখ করেছেন।
প্রধানমন্ত্রী যথার্থই বলেছেন, যদি জীববৈচিত্র্য হ্রাস পাওয়া অব্যাহত থাকে, তাহলে উদ্ভিদ ও প্রাণীর বিলুপ্তির পাশাপাশি মানুষও বিলুপ্তির দিকে অগ্রসর হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। তথ্য-উপাত্ত বিশ্লেষণে দেখা যায়, জীববৈচিত্র্য ছাড়া মানবজাতির অস্তিত্ব কল্পনা করা যায় না।
মোটা দাগে বলা যেতে পারে, মানুষের মৌলিক চাহিদা যেমন- খাদ্য, বস্ত্র, বাসস্থান ও চিকিৎসার জোগান বৈচিত্র্যময় উদ্ভিদ ও প্রাণী থেকে আসে। জীববৈচিত্র্যে দৃশ্যমান উদ্ভিদ ও প্রাণীর প্রজাতিগুলো একে অপরের ওপর নির্ভরশীল। যদি পরিবেশগত উপাদান পরিবর্তনে কোনো প্রজাতি বিলুপ্ত হয়, তাহলে সমগ্র জৈববৈচিত্র্যের ভারসাম্যহীনতা দেখা দেবে।
ফলে নিভরশীল প্রজাতির সংখ্যা বেড়ে গিয়ে ওই প্রজাতির মধ্যে খাদ্য সংকটের তীব্রতা বেড়ে যাবে। জীববৈচিত্র্যে দৃশ্যমান প্রজাতিগুলো খাদ্য সংকটে বিলুপ্ত হওয়ার আশঙ্কাটি উড়িয়ে দেয়া যায় না। এভাবে যদি উদ্ভিদ ও প্রাণীর প্রজাতিগুলোর বৈচিত্র্য কমতে থাকে, তাহলে ভবিষ্যতে মানুষের জন্য প্রয়োজনীয় প্রাকৃতিক সম্পদের ভারসাম্যহীনতা দেখা দেয়ার আশঙ্কা থেকে যায়।
এমনকিছু প্রজাতি রয়েছে, যেগুলোর বিলুপ্তিতে জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণের ওপর দেশের টেকসই উন্নয়ন ও মানুষের বেঁচে থাকার বিষয়টি নির্ভরশীল। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৭৪ সালে বন্যপ্রাণী সংরক্ষণের আইন প্রণয়ন করেছেন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ওই আইনে জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণের সুস্পষ্ট ইঙ্গিত রয়েছে।
এরই ধারাবাহিকতায় জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণে ‘বাংলাদেশ বায়োলজিক্যাল ডাইভারসিটি অ্যাক্ট-২০১৭’ পাস হয়েছে। আইনে ৫ শতাংশের বেশি জায়গা ‘ইকোলজিক্যালি ক্রিটিক্যাল এরিয়া’ হিসেবে সংরক্ষিত রাখার বাধ্যবাধকতা রয়েছে।
একজন পরিবেশবিদের দৃষ্টিতে পরিবেশ বিপর্যয় রোধে জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণের আইনটি খুবই যৌক্তিক ও বিজ্ঞানসম্মত। এ আইনের ব্যাখ্যা করলে দেখা যায়, প্রধানমন্ত্রী রাষ্ট্রের অবকাঠামোগত উন্নয়নের পাশাপাশি ভবিষ্যতে পরিবেশের বিপর্যয়ে সৃষ্ট মহামারী মোকাবেলায় অগ্রণী ভূমিকা রেখে যাচ্ছেন।
পৃথিবীতে জীববৈচিত্র্য রক্ষণাবেক্ষণের ওপর মানুষের অস্তিত্ব নির্ভরশীল। উদাহরণস্বরূপ বলা যেতে পারে, একটি দাঁড়িপাল্লার একপাশে যদি পুরো পৃথিবী ও অন্যপাশে কিছু ডায়মন্ড রাখা হয় তাহলে দেখা যাবে, মানুষ স্বাভাবিকভাবেই ডায়মন্ড পছন্দ করবে। সে কখনও চিন্তাই করবে না পৃথিবীর অস্তিত্ব না থাকলে ডায়মন্ড উৎপন্ন হবে না। প্রধানমন্ত্রী ডায়মন্ড সংগ্রহের পরিবর্তে পুরো পৃথিবীর ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন।
জীববৈচিত্র্য কমে যাওয়ায় বায়ুম-লে গ্রিনহাউস গ্যাসের নির্গমন বেড়ে যাচ্ছে। উদাহরণস্বরূপ বলা যেতে পারে, বায়ুম-লে কার্বন-ডাই অক্সাইড বৃদ্ধির প্রধান কারণ হল অপরিকল্পিতভাবে বনায়ন ধ্বংস। বায়ুম-লে বৃদ্ধিপ্রাপ্ত কার্বন-ডাই অক্সাইডের শোষণ কমে যাওয়ায় গ্লোবাল তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণহীন গতিতে বেড়ে চলছে।
অন্যদিকে জৈববৈচিত্র্যের ভারসাম্যহীনতায় মিথেন, পানি, বাষ্প, সিএফসি, ওজোন ও নাইট্রাস অক্সাইডের নির্গমনও দিনের পর দিন বেড়েই চলছে। যদিও বিশ্বের উন্নত দেশগুলোর তুলনায় বাংলাদেশ গ্রিনহাউস গ্যাস উৎপাদনে তথা বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধির জন্য ততটা দায়ী নয়, তবুও মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বিশ্বের উন্নত দেশগুলোর সঙ্গে বৈশ্বিক উষ্ণতা কমানোয় অঙ্গীকারবদ্ধ।
পরিসংখ্যানগত বিশ্লেষণে দেখা যাচ্ছে, বায়ুম-লে কার্বন-ডাই অক্সাইড গ্যাস নির্গমনে চীন বিশ্বের শীর্ষে এবং দ্বিতীয়, তৃতীয় ও চতুর্থ অবস্থানে বয়েছে যথাক্রমে আমেরিকা, ভারত ও রাশিয়া। পরিবেশে নির্গত এ গ্রিনহাউস গ্যাস কর্তৃক বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধির জন্য বৈচিত্র্যময় জীবের অপ্রতুলতাই দায়ী।
প্রধানমন্ত্রী ২০১০ সালে জাতিসংঘে কনভেনশন অব বায়োলজিক্যাল ডাইভারসিটিতে জলবায়ু পরিবর্তনে জৈববৈচিত্র্যতা সংরক্ষণের ওপর গুরুত্বারোপ করেছিলেন। জাতিসংঘের ঘোষিত শর্ত অনুযায়ী, বাংলাদেশকে টেকসই উন্নয়নের লক্ষ্যমাত্রায় পৌঁছতে হলে জলবায়ু পরিবর্তনে সৃষ্ট পরিবেশ বিপর্যয় মোকাবেলায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে হবে। প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশকে সেই লক্ষ্যে পৌঁছানোর জন্য উন্নয়নের মহাসড়কে অবস্থান করছেন।
যেহেতু জীববৈচিত্য ইকোসিস্টেম সার্ভিসের অজৈব উপাদানের সহনীয় মাত্রার ওপর নির্ভর করে, সেহেতু তা সংরক্ষণে অজৈব উপাদানের ভারসাম্যহীনতা কমাতে হবে। এরই ধারাবাহিকতায় বৈশ্বিক উষ্ণতা, বায়ুদূষণ, পানিদূষণ, অপরিকল্পিত নগরায়ণ ও বনায়ন ধ্বংস কমানোর ওপর গবেষণা কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।
বাংলাদেশে প্রায় ৪০টি ক্ষেত্রে জীববৈচিত্র্য পরিবেশবান্ধব হিসেবে চিহ্নিত রয়েছে। তার মধ্যে প্রায় ১৩টিকে ইকোলজিক্যালি ক্রিটিক্যাল হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে ইতোমধ্যে জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণে গাজীপুরে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব সাফারি পার্ক, চট্টগ্রামে শেখ রাসেল ইকোপার্ক এবং কক্সবাজারের ডুলহাজারায় আরও একটি সাফারি পার্ক প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। ওইসব সংরক্ষিত এলাকায় ঝুঁকিপূর্ণ ও বিলুপ্তপ্রায় উদ্ভিদ ও প্রাণীর বৈচিত্র্য দৃশ্যমান রয়েছে।
অন্যদিকে পরিবেশে সংরক্ষণে দেশে জলাশয় রক্ষণাবেক্ষণ, বৃক্ষরোপণ, নদীর নাব্য বৃদ্ধি, উপকূলীয় অঞ্চলে লবণাক্ততা কমানো, পরিকল্পিত নগরায়ণ, শিল্পায়নসহ বহু ধরনের কর্মসূচি অব্যাহত রয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর উপরিউক্ত চলমান কর্মসূচি জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবেলাসহ বৈশ্বিক উষ্ণতা কমিয়ে জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা যাচ্ছে।

জীববৈচিত্র্যের বিপর্যয়ে সৃষ্ট পরিবেশের ভারসাম্যহীনতা রক্ষায় বাংলাদেশ সরকারের গৃহীত পদক্ষেপগুলো সমগ্র বিশ্বে উন্নয়নের মডেল হিসেবে গৃহীত হবে বলে আমার দৃঢ়বিশ্বাস।

ড. মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম : সহযোগী অধ্যাপক, এনভায়রনমেন্টাল সায়েন্স বিভাগ, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, সালনা, গাজীপুর









সর্বশেষ সংবাদ
স্ত্রীকে হত্যার পর ছেলেকে কুপিয়ে জখম
যৌন নিপীড়ন : জয়পুরহাটে মাদ্রাসা শিক্ষক গ্রেপ্তার
১১ মাস পর শ্রমিক লীগের পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা
ফটো সাংবাদিক কাজল কেন জামিন পাবেন না, প্রশ্ন হাই কোর্টের
জাহালমকে ক্ষতিপূরণ : রায় স্থগিত চেয়ে ব্র্যাক ব্যাংকের আপিল
ভাঙ্গা উপজেলা পরিষদে ইউএনওর ফাঁকা গুলি, পুলিশের জিডি
ওসামা বিন লাদেনের মৃত্যু নিয়ে সংশয় ট্রাম্পের!
আরো খবর ⇒
সর্বাধিক পঠিত
দুর্বার গতিতে এগিয়ে চলেছে বাংলাদেশ
পদ্মাসেতুর ৩৩ তম স্প্যান স্থাপন
মন্ত্রিসভার সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের হার কমেছে
ছবিতেই ব্যস্ত হচ্ছেন জ্যোতিকা জ্যোতি
নির্বাচনকে তামাশায় পরিণত করেছে সরকার: ফখরুল
সুস্থ সবল জাতি গঠনে উন্নত স্যানিটেশনের কোন বিকল্প নেই: বিভাগীয় কমিশনার
ইন্দুস ভ্যালিতে পুরস্কৃত বাংলাদেশের ছবি ‘জন্মভূমি’
সম্পাদক : মোল্লা জালাল | প্রধান সম্পাদক : ফারুক আহমেদ তালুকদার
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়ঃ ৪২/১-ক সেগুনবাগিচা, ঢাকা-১০০০, বাংলাদেশ।  ফোন +৮৮ ০১৮১৯ ২৯৪৩২৩
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত এনএনবি.কম.বিডি
ই মেইল: [email protected], [email protected]