শনিবার ২৩ জানুয়ারি ২০২১ ১০ মাঘ ১৪২৭
শিরোনাম: কারা কর্মকর্তাদের কক্ষে বন্দীর নারীসঙ্গ       সত্তরোর্ধ্ব বৃদ্ধাকে নির্যাতন : গৃহকর্মী ৮ দিনের রিমান্ডে       ওয়ানডে সিরিজ জয় করায় জাতীয় ক্রিকেট দলকে প্রধানমন্ত্রীর অভিনন্দন       আগামী বছরের ফেব্রুয়ারিতে এক লাখ বাড়ি পাবে গৃহহীনরা        করোনায় একদিনে মৃত্যু ১৫        চাল-তেলের দাম কমছে       দখলদারদের ঠেকাতে ড্রোনে নজরদারি : ডিএনসিসি মেয়র      
জেসমিন হত্যা মামলায় খালাস পেলেন স্বামী
এনএনবি নিউজ
প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, ৭ জানুয়ারি, ২০২১, ৯:০৫ পিএম |

দশ বছর আগে ঢাকার তুরাগের রানাভোলা এলাকায় গৃহবধূ জেসমিন আক্তারকে হত্যা মামলায় তার স্বামী মো. শহিদুল ইসলামকে খালাস দিয়েছে আদালত।
ঢাকার ১ নম্বর দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের বিচারক আবু জাফর কামরুজ্জামান বৃহস্পতিবার শহিদুলের উপস্থিতিতে এ রায় দেন।
শহিদুলের গ্রামের বাড়ি পিরোজপুরের মঠবাড়িয়া উপজেলার হোগলপাতি গ্রামে। আর জেসমিনের বাবার বাড়ি গাইবান্ধার পলাশবাড়ির বুজরুক বরকাতপুরে। তুরাগের রানাভোলা এলাকার এক বাড়িতে তারা ভাড়া থাকতেন।
২০১১ সালের ২২ আগস্ট রাতে ওই বাড়ি থেকে জেসমিনের লাশ উদ্ধারের পর তার ছোট ভাই মো. আব্দুর রশিদ তুরাগ থানায় শহিদুলকে আসামি করে এই হত্যা মামলা দায়ের করেন।
সেখানে অভিযোগ করা হয়, পারিবারিক বিরোধের জেরে জেসমিনকে ‘শ্বাসরোধে হত্যা’ করেন শহিদুল। জেসমিনের চার বছরের মেয়ে ওই ঘটনা দেখে ফেলে।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ২০১১ সালে ২৬ ডিসেম্বর শহিদুলকে একমাত্র আসামি করে আদালতে অভিযোগপত্র দেন। পরের বছর ৫ সেপ্টেম্বর অভিযোগ গঠন করে শহিদুলের বিচার শুরু করে আদালত।
জেসমিনের মেয়ে ঢাকার মহানগর হাকিম সাবরিনা আলীর কাছে দেওয়া জবানবন্দিতে বলে ‘আমার আব্বু রাতের বেলায় আমার আম্মুকে গলা টিপে মেরে ফেলে। তারপর আম্মুকে খাটে মশারির নিচে শোয়ায়ে দিয়ে ঘরের ফ্যান চালিয়ে লাইট জ্বালিয়ে ঘরের বাইরে তালা দিয়ে আমাকে নিয়ে চলে যায়।’
রাষ্ট্রপক্ষে মোট ১৩ জন সাক্ষীর মধ্যে ১২ জন ট্রাইব্যুনালে সাক্ষ্য দেন।
রায়ের বিবরণে বলা হয়, ময়নাতদন্তকারী চিকিৎসক তার প্রতিবেদন এবং আদালতে দেওয়া সাক্ষে বলেছেন, জেসমিনের মৃত্যুর কারণ ‘হত্যা নয় বরং আত্মহত্যা প্রকৃতির’।
আর জেসমিনের মেয়ে হাকিমের কাছে দেওয়া জবানবন্দিতে তার মাকে ‘গলা টিপে মেরে ফেলার’ কথা বললেও আদালতে দেয়া সাক্ষ্যে তা বলেনি। বরং বলেছে, ‘আমার আব্বু কাজে বাইরে ছিল। আমার আব্বু আর আসে নাই। আমি আর কিছু জানি না।’
মামলার বিচারের সময় ময়নাতদন্তকারী চিকিৎসক এবং জেসমিনের শিশুকন্যাকে ‘বৈরী সাক্ষী’ ঘোষণা করে জেরা করেছিল রাষ্ট্রপক্ষ। আর আসামি নিজেও হাকিমের কাছে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেননি।
বিচারক তার পর্যবেক্ষণে বলেছেন, এ ঘটনায় দ-বিধির ৩০৬ ধারায় আত্মহত্যায় প্ররোচণার অভিযোগ আনা যেতে পারত।
এ ট্রাইব্যুনালে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী আবু আবদুল্লাহ ভূঞা রায়ের পর বলেন, ‘বাদী রায়ের সময় এজলাসে ছিলেন না। তার মত জানি না। আর দ্রুত বিচারের মামলায় আপিল করতে গেলে জেলা ম্যাজিস্টেটের অনুমতি লাগবে।’


এনএনবি নিউজ /ডিকে








সর্বশেষ সংবাদ
কারা কর্মকর্তাদের কক্ষে বন্দীর নারীসঙ্গ
সত্তরোর্ধ্ব বৃদ্ধাকে নির্যাতন : গৃহকর্মী ৮ দিনের রিমান্ডে
ওয়ানডে সিরিজ জয় করায় জাতীয় ক্রিকেট দলকে প্রধানমন্ত্রীর অভিনন্দন
আগামী বছরের ফেব্রুয়ারিতে এক লাখ বাড়ি পাবে গৃহহীনরা
করোনায় একদিনে মৃত্যু ১৫
চাল-তেলের দাম কমছে
দখলদারদের ঠেকাতে ড্রোনে নজরদারি : ডিএনসিসি মেয়র
আরো খবর ⇒
সর্বাধিক পঠিত
চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক কার্যালয়ে ‘বীর মুক্তিযোদ্ধা চেয়ার’ উদ্বোধন
চসিক নির্বাচনকে কেন্দ্র করে নগরীতে প্রচারণা জমজমাট
ওবায়দুল কাদের রাজাকার পরিবারের : একরামুল
যে কারণে আত্মহত্যার পথ বেছে নেন মডেল সাদিয়া
এক ম্যাচ হাতে রেখেই টাইগারদের সিরিজ জয়
বাংলাদেশের একজন মানুষও গৃহহীন থাকবে না
দৌলতপুরে ইটভাটায় অভিযান, ৮০ লাখ টাকা জরিমানা
সম্পাদক : মোল্লা জালাল | প্রধান সম্পাদক : ফারুক আহমেদ তালুকদার
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়ঃ ৪২/১-ক সেগুনবাগিচা, ঢাকা-১০০০, বাংলাদেশ।  ফোন +৮৮ ০১৮১৯ ২৯৪৩২৩
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত এনএনবি.কম.বিডি
ই মেইল: [email protected], [email protected]