রোববার ৭ মার্চ ২০২১ ২৩ ফাল্গুন ১৪২৭
শিরোনাম: উত্তর জেলা আওয়ামী লীগের আলোচনা সভায় তথ্যমন্ত্রী        তিন নারী নেতার একজন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা       করোনার টিকা নিলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা       নিউজিল্যান্ডকে উড়িয়ে দিল অস্ট্রেলিয়া       ফিলিস্তিনে ইসরাইলের যুদ্ধাপরাধ তদন্তে বাধা দেবে যুক্তরাষ্ট্র : কমলা       বাংলাদেশ এখন সারা বিশ্বে উন্নয়নের রোল মডেল : আইনমন্ত্রী       ৬৬০টি থানায় একযোগে ঐতিহাসিক ৭ মার্চ উদযাপন করবে বাংলাদেশ পুলিশ      
অষ্টম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনাকালে
‘বদ্বীপ পরিকল্পনা-২১০০’-এর বাস্তবায়ন কৌশল
ড. শামসুল আলম
প্রকাশ: বুধবার, ১৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২১, ৩:৫৬ পিএম |

একটি দারিদ্র্যমুক্ত ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয়ে বর্তমান সরকার সম্প্রতি জুলাই ২০২০ থেকে জুন ২০২৫ মেয়াদে বাস্তবায়নের লক্ষ্যে অষ্টম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা অনুমোদন করেছে। বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে অষ্টম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনাটি বিশেষ তাৎপর্য বহন করে। কারণ ২০২১ সালে বাংলাদেশ একই সঙ্গে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী এবং স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উদ্যাপন করছে। এছাড়া অষ্টম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনাটি একদিকে যেমন দ্বিতীয় প্রেক্ষিত পরিকল্পনা (২০২১-৪১)-এর আওতায় প্রথম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা, তেমনি অন্যদিকে ‘বাংলাদেশ বদ্বীপ পরিকল্পনা-২১০০’ অনুমোদন-পরবর্তী প্রথম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা। পাশাপাশি এই পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনার সময়কালেই বাংলাদেশ স্বল্পন্নোত দেশের তালিকা হতে বেরিয়ে আসবে। এসব বিষয় বিবেচনা করেই দেশের অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়নকে ত্বরান্বিত করার জন্য অষ্টম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা প্রণয়ন করা হয়েছে।
বাংলাদেশে জলবায়ু পরিবর্তন ও প্রাকৃতিক দুর্যোগজনিত ঝুঁকির কারণে কাঙ্ক্ষিত উন্নয়নের দীর্ঘমেয়াদি চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সরকার ৪ সেপ্টেম্বর ২০১৮ তারিখে ‘বাংলাদেশ বদ্বীপ পরিকল্পনা-২১০০’ নামে একটি মহাপরিকল্পনা অনুমোদন করেছে। একুশ শতাব্দীব্যাপী বাস্তবায়িতব্য বাংলাদেশ বদ্বীপ পরিকল্পনা-২১০০ একটি দীর্ঘমেয়াদি সমন্বিত ও সামষ্টিক পরিকল্পনা, যা জলবায়ু পরিবর্তন ও প্রাকৃতিক দুর্যোগজনিত দীর্ঘমেয়াদি চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করে খাদ্য ও পানি নিরাপত্তা, পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষার মাধ্যমে টেকসই অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্য প্রণয়ন করা হয়েছে। পানি, জলবায়ু, পরিবেশ ও ভূমির টেকসই ব্যবস্থার দীর্ঘমেয়াদি চ্যালেঞ্জগুলো মোকাবিলা করে ২০৩১ সালের মধ্যে উচ্চমধ্যম আয়ের দেশের মর্যাদা অর্জন এবং চরম দারিদ্র্য দূরীকরণসহ ২০৪১ সালের মধ্যে একটি উন্নত দেশের মর্যাদা অর্জনের লক্ষ্যে ‘বাংলাদেশ বদ্বীপ পরিকল্পনা ২১০০’ অন্যান্য স্বল্প ও মধ্যমেয়াদি পরিকল্পনাসমূহের সমন্বয় করবে।‘ বাংলাদেশ বদ্বীপ পরিকল্পনা ২১০০’ তিনটি পর্যায়ে বাস্তবায়ন করা হবে, যার প্রথম পর্যায় আগামী ২০৩০ সাল পর্যন্ত নির্ধারণ করা হয়েছে। এই মহাপরিকল্পনায় একটি বিনিয়োগ পরিকল্পনা অন্তর্ভুক্ত রয়েছে, যেখানে ২০৩০ সালের মধ্যে বাস্তবায়নের জন্য অভিযোজনমুখী বদ্বীপ ব্যবস্থাপনা পদ্ধতি অনুসরণে ৮০টি প্রকল্প নির্ধারণ করা হয়েছে, যেগুলোর মধ্যে ৬৫টি প্রকল্প অবকাঠামোগত এবং ১৫টি প্রকল্প প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা বৃদ্ধিবিষয়ক প্রকল্প। এসব প্রকল্প বাস্তবায়নে প্রায় ২ হাজার ৯৭৮ বিলিয়ন টাকা (৩৭ দশমিক ৫ বিলিয়ন ডলার) ব্যয় হতে পারে। এই প্রকল্পসমূহ ২০৩০ সালের মধ্যে অষ্টম ও নবম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনার মাধ্যমে বাস্তবায়ন করতে হবে। ‘বাংলাদেশ বদ্বীপ পরিকল্পনা-২১০০’ অনুমোদনের পর অষ্টম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনাই সর্বপ্রথম মধ্যমেয়াদি পরিকল্পনা হওয়ায় এই পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা প্রণয়নকালে ‘বাংলাদেশ বদ্বীপ পরিকল্পনা-২১০০’ বাস্তবায়নের বিষয়টি গুরুত্বের সাথে বিবেচনা করা হয়েছে এবং অষ্টম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনাটিকে ‘বাংলাদেশ বদ্বীপ পরিকল্পনা-২১০০’-এর সাথে আত্তীকরণ করে প্রণয়ন করা হয়েছে। আশা করা যাচ্ছে যে, অষ্টম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনার বাস্তবায়ন ‘বাংলাদেশ বদ্বীপ পরিকল্পনা ২১০০’ বাস্তবায়নে এক নতুন গতির সঞ্চার করবে।
পানিসম্পদ ব্যবস্থাপনা, জলবায়ু পরিবর্তন, প্রাকৃতিক দুর্যোগ এবং অন্যান্য পরিবেশগত বিপর্যয় মোকাবিলায় ‘বাংলাদেশ বদ্বীপ পরিকল্পনা-২১০০’-এর বাস্তবায়নকে অষ্টম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনার অন্যতম লক্ষ্য হিসেবে বিবেচনা করা হয়েছে। এ কারণে অষ্টম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনায় জলবায়ু পরিবর্তন এবং পরিবেশসংক্রান্ত বিষয়সমূহকে দেশের উন্নয়ন ও আর্থিক নীতি ব্যবস্থাপনার সঙ্গে সর্বাত্মক সমন্বয় করা হয়েছে। এছাড়া অষ্টম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনায় ‘বাংলাদেশ বদ্বীপ পরিকল্পনা-২১০০’-এর প্রথম পর্যায়ের বাস্তবায়নকে অত্যধিক গুরুত্ব প্রদান করা হয়েছে। অষ্টম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনার মেয়াদে, অর্থাৎ ২০২৫ সালের মধ্যে ‘বাংলাদেশ বদ্বীপ পরিকল্পনা ২১০০’-এর বিনিয়োগ পরিকল্পনায় বিনিয়োগের লক্ষ্যমাত্রা জিডিপির ২ শতাংশ নির্ধারণ করে ‘বাংলাদেশ বদ্বীপ পরিকল্পনা-২১০০’ সম্পর্কিত বিনিয়োগকে অগ্রাধিকার প্রদান করা হয়েছে।
‘বাংলাদেশ বদ্বীপ পরিকল্পনা-২১০০’-এ পানি ব্যবস্থাপনায় বিদ্যমান ও ভবিষ্যৎ চ্যালেঞ্জসমূহ হিসেবে বন্যা ঝুঁকি, শুষ্ক মৌসুমে পানির পর্যাপ্ততা নিশ্চিতকরণ, নদ-নদীর পানি ব্যবস্থাপনা, উপকূলীয় এলাকা সংরক্ষণ ও ব্যবস্থাপনা, প্লাবনভূমি সংরক্ষণ, উজানে নদী ব্যবস্থাপনাসহ জলাবদ্ধতা দূরীকরণে নদী-খাল উদ্ধার ও খনন, সেচ ব্যবহারকারীদের সাংগঠনিক সক্ষমতা বৃদ্ধি প্রভৃতি বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে। অষ্টম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনায় পানিসম্পদ সেক্টরের মূল লক্ষ্য হলো পানিসম্পদ রক্ষার্থে বিদ্যামান উদ্যোগসমূহ বাস্তবায়নসহ ‘বাংলাদেশ বদ্বীপ পরিকল্পনা-২১০০’-তে উল্লিখিত এসব চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করা। এই চ্যালেঞ্জসমূহ মোকাবিলায় কৌশল হিসেবে সেচ সক্ষমতা বৃদ্ধিতে পানি ব্যবস্থাপনা, বন্যাঝুঁকি রোধে ম্যাপিং, জলাধার নির্মাণ, বাঁধ উন্নয়ন ও উন্নতকরণ, নদী ও খালসমূহ পুনরুদ্ধার, নিরাপদ খাবার পানি সরবরাহ প্রভৃতি কৌশল নির্ধারণ করা হয়েছে। বিগত অর্ধশতাব্দীতে পানি ব্যবস্থাপনা ও সেচ অবকাঠামো নির্মাণ, পোল্ডারস নির্মাণ ও বাঁধ সংযুক্ত সড়ক নির্মাণে ভৌত অবকাঠামো ব্যাপকভাবে গড়ে উঠেছে। এই বিশাল অবকাঠামো সম্পদ যথাযথ সংরক্ষণ, অনেক ক্ষেত্রে পুনরাকৃতিকরণ জরুরি হয়ে পড়েছে। অষ্টম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনায় এসবের সংরক্ষণে ব্যাপক গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
অষ্টম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনায় ‘বাংলাদেশ বদ্বীপ পরিকল্পনা-১০০’-কে তিনভাবে একীভূত করা হয়েছে। এর প্রথমটি হলো, ‘বাংলাদেশ বদ্বীপ পরিকল্পনা ২১০০’ বিনিয়োগ পরিকল্পনার ৮০টি প্রকল্পের মধ্যে ৪৭টি প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য সরাসরি অষ্টম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনায় অন্তর্ভুক্ত করা, যেগুলো বাস্তবায়নে প্রায় ১ হাজার ৪০০ বিলিয়ন টাকা ব্যয় হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। অন্য দুটি ক্ষেত্র হলো ডেল্টা পলিসি ফ্রেমওয়ার্ক এবং ডেল্টা ইনস্টিটিউশনগুলো পুনর্গঠনসংক্রান্ত। ‘বাংলাদেশ বদ্বীপ পরিকল্পনা-২১০০’ সংক্রান্ত প্রকল্পে সরকারি ও বেসরকারি বিনিয়োগ বৃদ্ধিতে অষ্টম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনায় উদ্যোগ গ্রহণের বিষয়ে গুরুত্বারোপ করা হয়েছে। পাশাপাশি ‘বাংলাদেশ বদ্বীপ পরিকল্পনা-১০০’-র সাথে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় বা বিভাগের প্রকল্প বাস্তবায়নের সক্ষমতা বৃদ্ধিসহ তাদের বিদ্যমান সুবিধাদির পরিচালন ও রক্ষণাবেক্ষণে সক্ষমতা বৃদ্ধির বিষয়ে অষ্টম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনায় বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। এগুলোর মধ্যে বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড, পানিসম্পদ ব্যবস্থাপনা পরিকল্পনা সংস্থা, পরিবেশ অধিদপ্তর, নদী কমিশন, ওয়াসা, সিটি করপোরেশন এবং পৌরসভাসহ অন্যান্য বিশেষায়িত সংস্থার সক্ষমতা বৃদ্ধিতে জরুরি পদক্ষেপ গ্রহণের ওপর জোর দেওয়া হয়েছে। এছাড়া ‘বাংলাদেশ বদ্বীপ পরিকল্পনা-২১০০’-এর কৌশলের আলোকে পানি ব্যবস্থাপনা বিকেন্দ্রীকরণ, বদ্বীপসংক্রান্ত তথ্য সৃষ্টি ও সংরক্ষণ এবং সেচের আওতাভুক্ত স্থানীয় পানি ব্যবস্থাপনা দল কার্যকর করার বিষয়ে অষ্টম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনায় উদ্যোগ গ্রহণের কথা বলা হয়েছে।
অষ্টম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনায় কৃষি ও মৎস্য খাতে গৃহীত কতিপয় কৌশল ‘বাংলাদেশ বদ্বীপ পরিকল্পনা ২১০০’-এর সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে নির্ধারণ করা হয়েছে। টেকসই কৃষি উন্নয়নের লক্ষ্যে অষ্টম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনায় সেচব্যবস্থার উন্নয়নের পাশাপাশি ভূ-উপরিস্থ পানি ব্যবহারকে উৎসাহ প্রদান করা হয়েছে। পাশাপাশি অপেক্ষাকৃত কম পানি ব্যবহার করে বরেন্দ্র এলাকায় শস্য চাষে উদ্যোগ গ্রহণে পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে সামুদ্রিক মৎস্য খাতের কৌশলসমূহেও ‘বাংলাদেশ বদ্বীপ পরিকল্পনা ২১০০’-কে সক্রিয়ভাবে বিবেচনা করা হয়েছে।
অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহনে প্রস্তাবিত কৌশলসমূহের ক্ষেত্রে ‘বাংলাদেশ বদ্বীপ পরিকল্পনা-২১০০’-তে উল্লিখিত কৌশলসমূহকে বিবেচনা করা হয়েছে। যেমন অগ্রাধিকারভিত্তিক নৌপথ নির্ধারণ, আঞ্চলিক নৌযোগাযোগকে অগ্রাধিকার প্রদান, আন্ত-আঞ্চলিক বাণিজ্যকে সহায়তা প্রদান, নৌপথের নাব্য বৃদ্ধি করা, নৌপথে সুরক্ষা বৃদ্ধিকরণ, নৌবন্দর সুবিধাদি বৃদ্ধিসহ অন্যান্য কৌশল ইতিমধ্যে ‘বাংলাদেশ বদ্বীপ পরিকল্পনা ২১০০’-তে প্রহণ করা হয়েছে, যা অষ্টম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনায়ও অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। ‘বাংলাদেশ বদ্বীপ পরিকল্পনা-২১০০’-এর ছয়টি অভীষ্ট অর্জনে ২০২৫ সালের মধ্যে বিভিন্ন সূচক অর্জনের লক্ষ্যমাত্রাসমূহ অষ্টম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনায় সরাসরি অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। একই সঙ্গে ‘বাংলাদেশ বদ্বীপ পরিকল্পনা-২১০০’-এর অন্তর্গত প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কারসমূহ যেমন—পরিকল্পনা কমিশনে ডেলটা উইং স্থাপন, ডেলটাকেন্দ্রিক তহবিল গঠন, ডেলটা নলেজ হাব গঠন, ডেলটা কোয়ালিশনকে সহযোগিতা প্রভৃতি অষ্টম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনার সময় বাস্তবায়নের জন্য লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।
‘বাংলাদেশ বদ্বীপ পরিকল্পনা-২১০০’ একটি শতবর্ষী পরিকল্পনা। দ্বিতীয় প্রেক্ষিত পরিকল্পনা প্রণয়নে ‘বাংলাদেশ বদ্বীপ পরিকল্পনা ২১০০’-কে বিবেচনা করা হয়েছিল এবং অষ্টম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনায়ও এই মহাপরিকল্পনাকে সক্রিয়ভাবে বিবেচনা করে উদ্দেশ্য, লক্ষ্য ও কৌশল নির্ধারণ করা হয়েছে। অষ্টম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা বাস্তবায়নের সঙ্গে সঙ্গেই ‘বাংলাদেশ বদ্বীপ পরিকল্পনা-২১০০’ বাস্তবায়ন আরো গতি পাবে এবং একুশ শতকের বাংলাদেশ বিনির্মাণের অগ্রযাত্রা ত্বরান্বিত হবে। বিশেষভাবে ডেলটা-সংশ্লিষ্ট ১০টি মন্ত্রণালয়কে এখন প্রকল্প ও কর্মসূচি প্রণয়নে অষ্টম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনাকে গাইডবুক হিসেবে সামনে রেখে বাস্তবায়নে এগিয়ে যেতে হবে। মধ্যমেয়াদি বাজেট কাঠামোর বরাদ্দ বণ্টনের পূর্বশর্ত হওয়া উচিত পরিকল্পনাভিত্তিক উন্নয়ন প্রাধান্যগুলোকে বিবেচনায় নেওয়া।

লেখক : সদস্য (সিনিয়র সচিব), সাধারণ অর্থনীতি বিভাগ, বাংলাদেশ পরিকল্পনা কমিশন।

এনএনবি নিউজ/ ডিকে








সর্বশেষ সংবাদ
ভয়ঙ্কর একটি শক্তি’ ভিন্নমতের ওপর নির্যাতন চালাচ্ছে : মির্জা ফখরুল
আত্মনির্ভরশীল জাতি হিসেবে মাথা উঁচু করে দাঁড়ানোর আহ্বান : এনবিআর চেয়ারম্যান
জেন্ডারজনিত সহিংসতায় সেবা প্রদানে চিকিৎসকদেরকে আন্তরিক হতে হবে
উত্তর জেলা আওয়ামী লীগের আলোচনা সভায় তথ্যমন্ত্রী
ইংল্যান্ডে ১৫ বছর বয়সী ছাত্রের সঙ্গে ৩৫ বছর বয়সী শিক্ষিকার যৌন সম্পর্ক
তিন নারী নেতার একজন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা
করোনার টিকা নিলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা
আরো খবর ⇒
সর্বাধিক পঠিত
জেন্ডারজনিত সহিংসতায় সেবা প্রদানে চিকিৎসকদেরকে আন্তরিক হতে হবে
ঠাকুর মন্দিরে বার্ষিক মহোৎসব আগামীকাল শুরু
রংপুরে শহিদ শংকু সমজদার দিবস পালিত
চট্টগ্রাম জেলা আইনজীবী সমিতির সম্পাদকের সাথে মুক্তিযোদ্ধা সন্তানদের সৌজন্য সাক্ষাৎ
চসিক মেয়রের সাথে ভারতীয় সহকারী হাই কমিশনারের সৌজন্য সাক্ষাৎ
চট্টগ্রাম নগরীতে বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ ইউসুফের ইন্তেকাল
এইচ টি ইমাম আর নেই
সম্পাদক : মোল্লা জালাল | প্রধান সম্পাদক : ফারুক আহমেদ তালুকদার
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়ঃ ৪২/১-ক সেগুনবাগিচা, ঢাকা-১০০০, বাংলাদেশ।  ফোন +৮৮ ০১৮১৯ ২৯৪৩২৩
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত এনএনবি.কম.বিডি
ই মেইল: [email protected], [email protected]