বৃহস্পতিবার ২১ অক্টোবর ২০২১ ৫ কার্তিক ১৪২৮
শিরোনাম: কুমিল্লা হবে ‘মেঘনা’, ফরিদপুর ‘পদ্মা’ বিভাগ : প্রধানমন্ত্রী       পাপুয়া নিউগিনিকে হারিয়ে বিশ্বকাপের মূল পর্বে টাইগাররা       মানুষের পাশে অতন্দ্র প্রহরীর মতো রয়েছে সরকার ​: তথ্যমন্ত্রী       একটি শক্তিশালী বিরোধী দল সরকারও চায় : কাদের       কুমিল্লার কাজটি সে তো প্ল্যান মাফিক করেছে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী       পূর্বাচলে প্রদর্শনী কেন্দ্রের উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী       এস কে সিনহার বিরুদ্ধে মামলার রায় ফের পেছাল      
স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী মুজিব বর্ষ ২০২১
ধর্মব্যবসায়ী ও স্বাধীনতা বিরোধীদের নতুন ষড়যন্ত্র
মতিয়ার চৌধুরী
প্রকাশ: শনিবার, ২০ মার্চ, ২০২১, ১২:৩৮ পিএম |

২০২১ সালটি প্রতিটি বাঙ্গালীর কাছে অত্যন্ত তাৎপর্যময়, কেননা জাতি স্বাধীনতার সুবর্ন জয়ন্তি ও মুজিব বর্ষ উদযাপন করছে। দেশে এবং দেশের বাইরে মিশণগুলো স্বাধীনতার সুবর্নজয়ন্তীতে ব্যাপক কর্মসূচী গ্রহণ করেছে। রাষ্টীয় ভাবে এবার গ্রহন করা হয়েছে বিভিন্ন কর্মসূচী। এতে যোগ দিচেছন  বিভিন্ন দেশের  সরকার প্রধানরা। ইতিমধ্যেইে বাংলাদেশে এসেছেন মালদ্বীপ ও শ্রীলংকার প্রেসিডেন্ট ও প্রধানমন্ত্রী। আসছেন ভূটান নেপালের রাষ্ট্র প্রধান এবং ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। 

কয়েকটি বন্ধুপ্রতিম দেশের রাষ্ট্রপ্রধানরা ইতিমধ্যেই এ উপলক্ষে আয়োজিত রাষ্ট্রীয় অনুষ্টানে ভাচুয়ালিযুক্ত হয়ে সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ট বাঙ্গালী জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়েছেন সেই সাথে  বাংলাদেশের উন্নয়ন অগ্রযাত্রায় বাংলাদেশের পাশে অঙ্গিকার ব্যক্ত করেছেন। তাদের মধ্যে রয়েছেন চীন জাপান এবং কানাডার সরকার প্রধানরা। 

রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠান শুরু হয়েছে ১৭ই মার্চ বঙ্গবন্ধুর ১০১তম জন্মদিনে চলবে ৫০তম স্বাধীনতা দিবস ২৬ মার্চ পর্যন্ত। পঞ্চাশ বছরে বাংলাদেশ তলাবিহিন ঝুড়ি থেকে উন্নয়নশীল দেশের কাতারে পৌঁচে গেছে। স্বাধীনতার স্থপতি বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার সুযোগ্য নেতৃত্বে দেশ যখন একের পর এক অসম্ভবকে সম্ভব করে এগিয়ে যাচ্ছে ঠিক এই মূহুর্থে স্বাধীনতার পরাজিত শত্রুরা এইসব অর্জনকে  নাস্যাৎ করতে বাংলাদেশকে একটি আফগান মডেলের তালেবানী রাষ্টে পরিণত করতে মরিয়া হয়ে উঠেছে। 

আর এদের ইন্দন দিচ্ছে বিদেশে পালিয়ে থাকা ফাঁসির দন্ড প্রাপ্ত কয়েকজন চিহ্নিত যুদ্ধাপরাধী ও স্বাধীনতা বিরোধী। এর মধ্যে কয়েকজন আফগান ফেরত তালেবানের নেতৃত্বে গড়ে উঠা হেফাজতে ইসলামের মত কয়েকটি উগ্রবাদী সংগঠন, খতমে রিসালাত বা খতমে নবুওতের নামে সুনামগঞ্জের শাল্লায়  একটি হিন্দু গ্রামে হামলা চালিয়ে অসংখ্য বাড়ীঘর লুট করেছে। ধ্বংস করে দিয়েছে কয়েকটি হিন্দু মন্দির। তারা চাইছে বাংলাদেশে একটি অস্থিতিশীল পরিবেশ তৈরী করে হাজার বছরের সাম্প্রদায়িক সম্পৃতিকে বিনষ্ট করতে। পাকিস্তানী গোয়েন্দা সংস্থা আইএসআইয়ে‘র পৃষ্টপোষকতায় মাঠে নামানো হয়েছে ছাত্রশিবির ক্যাডার ও তালেবান পন্থি বেশ কয়েকজন ধর্মব্যবসায়ীকে । তারা বলছে স্বাধীনতার সুবর্নজয়ন্তির অনুষ্ঠানে নরেন্দ্র মোদীকে বাংলাদেশে আসতে দেবেনা।  

ভারত বাংলাদেশ সম্পর্ক ভাতৃপ্রতিম। এছাড়া আমাদের স্বাধীনতা সংগ্রামে একমাত্র দেশ ভারত ছিল আমাদের পাশে মুক্তিযোদ্ধাদের ট্রেনিং থেকে শুরু করে এককোটি শরনার্থীকে আশ্রয় দেয়া সহ তৎকালীম প্রধানমন্ত্রী  শ্রীমতি ইন্দিরা গান্ধী বাংলাদেশের মুক্তির জন্যে বিশ্বব্যাপী  সফর করেছেন গড়ে তোলেছেন আন্তর্জাতিক জনমত। আমাদের  স্বাধীনতা যুদ্ধে কয়েক হাজার ভারতীয় নাগরিক ও সৈন্যরা প্রাণ দিয়েছে। ভারত পাশে না থাকলে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ তরান্বিত হতনা, এটি আমাদের ভুলে গেলে চলবেনা। তাই স্বাধীনতা বিরোধী ধর্মব্যবসায়ীরা পাকিস্তানের ইন্দনে নরেন্দ্র মোদীর সুবর্ণজয়ন্তির অনুষ্ঠানে অংশ নিতে প্রতিবন্ধকতা তৈরী করতে চাইছে। তাদের এই ষড়যন্ত্র সকলের কাছে পরিস্কার হয়ে গেছে।
 
উন্নয়নের ধারা অব্যাহত থাকলে ২০৪১ সালের আগেই বাংলাদেশ কাঙ্খিত লক্ষ্যে পৌঁছে যাবে। ইতিমধ্যেই বাংলাদেশ  যা অর্জন করেছে তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো কোন ধরনের যুদ্ধ ছাড়াই  মিয়ানমার এবং ভারতের কবল থেকে ত্রিশ হাজার বর্গমাইল সমুদ্র উদ্ধার করেছে, স্যাটেলাইট যুগে প্রবেশ । ভারতের সাথে শান্তিপূর্ন ভাবে ছিটমহল বিনিয়ম, পারমানবিক বিদ্য্রুৎ কেন্দ্র, পদ্মাসেতুর মত বেশ কয়েকটি মেঘা প্রজেক্ট নিজস্ব অর্থায়নে করতে সক্ষম হয়েছে।  ছিটমহল বিনিময়ের মাধ্যমে উভয় দেশের কয়েক লক্ষ মানুষ নাগরিক পরিচয় ফিরে পেয়েছে। পাকিস্তান এবং ভারতকে পেছনে ফেলে বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে।  এসব ষঢ়যন্ত্রকারীরা দেখছে না। বিশ্বনেতারা যখন শেখ হাসিনার নেতৃত্বের প্রশংসা করছেন। তখন এই ধর্মব্যবসায়ীরা বাংলাদেশকে পেছনে নিয়ে যেতে চাইছে। কোন শক্তি তাদের ইন্দন দিচ্চে আর এরা কারা জাতির কাছে তা পরিস্কার হয়ে গেছে। 

১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ বাঙালি জাতির স্বাধীনতার  ইতিহাসে এক নৃশংস, ভয়ংকর ও বিভীষিকাময় কালরাত। একাত্তরের ২৫ মার্চ মধ্যরাতে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী পৈশাচিক হিংস্রতায় ঝাঁপিয়ে পড়েছিল নিরস্ত্র ও ঘুমন্ত বাঙালি জাতির ওপর। এ অভিশপ্ত রাতে পাক বাহিনীর ট্যাংক, কামান আর মেশিনগানের গোলায় প্রাণ হারিয়েছেন শত শত দেশপ্রেমিক তরুণ, যুবক, আবালবৃদ্ধবনিতা। রক্তে রঞ্জিত হয়েছিল ঢাকার রাজপথ, বাংলার সবুজ-শ্যামল প্রান্তর। নরঘাতক পাক বাহিনীর পৈশাচিক উল্লাস, লুণ্ঠন, হত্যা ও নির্মম হিংস্র থাবায় ধ্বংস হয়েছিল বাড়িঘর, সম্পদ ও জনপদ। নারকীয় জিঘাংসায় তারা দেশব্যাপী পুড়িয়ে ছারখার করে দেয় বসত বাড়িসহ হাজার হাজার স্থাপনা। পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট জল্লাদ ইয়াহিয়ার নির্দেশে রাত ১টায় পাকিস্তানি সেনাবাহিনী আধুনিক অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত হয়ে পুরো শক্তি নিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়েছিল পিলখানার ইপিআর সদর দফতর, রাজারবাগ পুলিশ লাইনস, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রাবাস ও নগরীর বিভিন্ন এলাকার স্বাধীনতার স্বপ্নে বিভোর ঘুমন্ত মানুষের ওপর। হত্যাযজ্ঞের পাশাপাশি চলতে থাকে লুটপাট, নারী নির্যাতন ও অগ্নিসংযোগ। একই সঙ্গে হত্যাযজ্ঞ চালানো হয় অন্যান্য বড় বড় শহরেও। এমন কলংকজনক নজির বিশ্বের ইতিহাসে দ্বিতীয়টি আর নেই।

‘অপারেশন সার্চলাইট’ নামে বিশ্বমানবতার ইতিহাসের এ জঘন্যতম হত্যাকান্ড ঘটিয়ে পাকিস্তানি সেনাবাহিনী সমগ্র মানবজাতির কাছে ধিক্কৃত হয়। ইতিহাসের আঁস্তাকুড়ে স্থান হয় অসভ্য পাকিস্তানীদের। স্বাধীনতার অগ্নিমন্ত্রে দীক্ষিত গোটা বাঙালি জাতি এ মানবতাবিরোধী হামলায় কিংকর্তব্যবিমূঢ় হয়েও ঘুমভাঙা চোখে মৃত্যুকে তুচ্ছজ্ঞান করে তীব্র প্রতিরোধ গড়ে তোলে সমগ্র বাংলাদেশ ব্যাপী। শুরু হয়ে যায় সশস্ত্র সংগ্রাম ও স্বাধীনতা যুদ্ধ। বঙ্গবন্ধুর সেই সাতই মার্চের ঐতিহাসিক আহ্বান ‘‘যার যা কিছু আছে, তাই নিয়ে শত্রুর মোকাবেলা করতে হবে’’ মন্ত্র বুকে ধারণ করে মাতৃভূমির স্বাধিকারের অদম্য আকাক্সক্ষায় বাবা-মা, স্ত্রী-পুত্র, পরিবার ছেড়ে মুক্তিযুদ্ধে শরিক হয় বাংলার অকুতোভয় সূর্যসন্তানরা। দীর্ঘ ৫০ বছর পরও এ ঐতিহাসিক দিনটিতে বাংলার মানুষ পাকিস্তাানি হানাদারদের প্রতি চরম ঘৃণা, ক্ষোভ ও ধিক্কারের মধ্য দিয়ে স্মরণ করছে।

দিনটি যেমন অভিশপ্ত, তেমনি অবিস্মরণীয় উজ্জ্বল ইতিহাসের মাইলফলকও বটে। সমগ্র দেশ ব্যাপী পাকিস্তানী বাহিনী চালায় গণহত্যা চলে পুরো নয় মাস।  অত্যন্ত দুঃখ জনক হলেও সত্যি যে আজও আমরা বাংলাদেশের গণহত্যার আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি আদায় করতে পারিনি। এটি আমাদের কুটনৈতিক ব্যর্থতাই বলতে হবে। জাতিসংঘ কর্তৃক ৯ই ডিসেম্বরকে আন্তর্জাতিক গণহত্যা দিবস হিসেবে ঘোষনা করা হয়েছে। যেহেতু সেই সুযোগ আর নেই আমাদের দাবী বাংলাদেশের গণহত্যার আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি। 

চলমান যুদ্ধাপরাধের বিচারের ধারাবাহিকতা এবং পাকিস্তানের সাথে অমিমাংসিত কয়েকটি বিষয় নিয়ে আলোকপাত করতে চাই। ১৯৭১ সালে বাংলাদেশে ২৫শে মার্চ থেকে শুরু করে পাকবাহিনী কর্তৃক নয় মাস ব্যাপী নারকীয় গণহত্যার আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি আদায়ে একাত্তরের ঘাতক-দালাল নির্মুল কমিটি  দাবী জানিয়ে আসছে, যৌক্তিক এদাবিটি বাস্তবায়ন করতে হলে সরকারকে আন্তর্জাতিক ভাবে লবিং জোরদার করতে হবে। বর্তমান সরকার ক্ষমতাসীন হওয়ার পর থেকে দেশের শীর্ষ কয়েকজন যুদ্ধাপরাধীর বিচার হলেও মানবতা বিরুধী অপরাধের দায়ে ফাঁসির দন্ডপ্রাপ্ত দু‘জন শীর্ষ যুদ্ধাপরাধী এখনও পালিয়ে রয়েছে। এদের একজন চৌধুরী মইনুদ্দিন অন্যজন আশরাফুজ্জামান এদের একজন যুক্তরাজ্যে অন্যজন যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থান করে প্রকাশ্যে দেশ বিরোধী অপপ্রচার চালিয়ে যাচ্ছে এই দুই যুদ্ধাপরাধীকে দেশে ফিরিয়ে এনে ফাসির রায় কার্যকর হলে ৩০লক্ষ শহীদের আত্মা শান্তি পাবে এব্যাপারে সরকারকে উদ্যোগী হতে হবে, সেই সাথে এদের দেশে ফিরিয়ে নিয়ে সাজা কার্যকর করতে বৃটেন এবং আমেরিকায় বসবাসরত প্রতিটি প্রবাসী বাঙ্গালীকে এগিয়ে অসতে হবে। 

এছাড়া পাকিস্তান আর্মির চিহ্নিত ১৯৫জন সেনা অফিসার যারা ১৯৭১ সালে বাংলাদেশে গণহত্যার সাথে সরাসরি জড়িত ছিল পাকিস্তান এদের বিচার করার কথা থাকলেও তা এখনও বাস্তবায়িত হয়নি সেই চিহ্নিত ১৯৫ জন ঘাতককে বাংলাদেশের কাছে বিচারের জন্যে হস্তান্তর করতে, পাকিস্তানের কাছে পাওনা আমাদের ন্যায্য হিস্যা, এবং যুদ্ধকালীন সময়ের ক্ষতিপূরন ও বাংলাদেশে আটকে পড়া ৩০লাখ পাকিস্তানী নাগরিককে এখনও পাকিস্তান ফেরত নেয়নি এসব কয়েকটি বিষয় অমিমাংসিতই রয়ে গেছে।  পাকিস্থান চাইছে বাংলাদেশের সাথে সুসম্পর্ক স্থাপন করতে। সম্পর্ক স্থাপন করতে হলে আগে পাকিস্তানকে ১৯৭১ সালের গণহত্যার জন্যে নিঃশর্ত  ক্ষমা চাইতে হবে সেই সাথে বাংলাদেশের ন্যায্য হিস্যা ফেরত ও ১৯৫ যুদ্ধাপরাধীর বিচার, ও বাংলাদেশে থাকা ত্রিশ লক্ষ পাকিস্তানীকে ফিরিয়ে নিতে হবে। 
 লেখক:  যুক্তরাজ্য প্রবাসী সিনিয়র সাংবাদিক ও গবেষক, একাত্তরের ঘাতক-দালাল নির্মুল কমিটির সিনিয়র সহসভাপতি ও সভাপতি যুদ্ধাপরাধ বিচারমঞ্চ যুক্তরাজ্য।

এনএনবি নিউজ/ ডিকে






আরও খবর


সর্বশেষ সংবাদ
কুমিল্লা হবে ‘মেঘনা’, ফরিদপুর ‘পদ্মা’ বিভাগ : প্রধানমন্ত্রী
পাপুয়া নিউগিনিকে হারিয়ে বিশ্বকাপের মূল পর্বে টাইগাররা
মানুষের পাশে অতন্দ্র প্রহরীর মতো রয়েছে সরকার ​: তথ্যমন্ত্রী
একটি শক্তিশালী বিরোধী দল সরকারও চায় : কাদের
শাহরুখ খানের মুম্বাইয়ের বাড়িতে তল্লাশি চালিয়েছে গোয়েন্দারা
কুমিল্লার কাজটি সে তো প্ল্যান মাফিক করেছে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
পূর্বাচলে প্রদর্শনী কেন্দ্রের উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী
আরো খবর ⇒
সর্বাধিক পঠিত
তাইওয়ানে আবাসিক ভবনে আগুন, নিহত ৪৬
বাংলাদেশ একটি অসাম্প্রদায়িক চেতনার দেশ : প্রধানমন্ত্রী
অবশেষে বলিউডে বাঁধন!
২৭ দিন চিকিৎসা শেষে বাসায় ফিরেছেন কাদের সিদ্দিকী
আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে ২২ জেলায় বিজিবি মোতায়েন
কান্দাহারে শিয়া মসজিদে হামলার ঘটনায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৪৭
দেশকে বিক্রি করে তো ক্ষমতায় আসব না : প্রধানমন্ত্রী
সম্পাদক : মোল্লা জালাল | নির্বাহী সম্পাদক: দুলাল খান
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়ঃ ৪২/১-ক সেগুনবাগিচা, ঢাকা-১০০০, বাংলাদেশ।  ফোন +৮৮ ০১৮১৯ ২৯৪৩২৩
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত এনএনবি.কম.বিডি
ই মেইল: [email protected], [email protected]